চাপে পড়ে ভোলবদল, ভারতকে শান্তির বার্তা পাক সেনাপ্রধানের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তর্জন-গর্জন করে ঢোঁক গিলল পাকিস্তান। হল না ছিঁটেফোঁটা বর্ষণ। ভারতের বিরুদ্ধে চিরকাল বিষোদ্গার করতেই অভ্যস্ত ওই দেশ। তবে এবার প্রবল চাপের মুখে পড়ে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক পাকিস্তানের মুখেই শোনা যাচ্ছে সন্ধির বাণী।এতদিন ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের আস্ফালন করে এলেও বুধবার সুর নরম করে শান্তি আলোচনার পক্ষেই সওয়াল করেন পাক সেনপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া।

করাচিতে অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনার জন্য অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বাজওয়া। তিনি বলেন, “আমরা ভারতের সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে থাকতে চাই। সীমান্ত বিবাদ সমাধানে আলোচনার পক্ষেই মত আমাদের।” দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে তিনি বলেন, সুনিশ্চিত পরিকল্পনা মাফিক চলতে হবে দেশকে। নিরাপত্তায় থাকা ছোট ছোট গলদ খুঁজে তা ভয়াবহ রূপ ধারণ করার আহেই নির্মূল করতে হবে।

[দিল্লির কাছেই পাক পরমাণু ঘাঁটি, চরম উদ্বেগে প্রতিরক্ষামহল]

সম্প্রতি, সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘে চরমে উঠে ভারত-পাক দ্বৈরথ। তবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নয়াদিল্লির সামনে কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়ে ইসলামাবাদ। এমনকী ‘পরম বন্ধু’ চিনও পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ায়নি। তার উপর রয়েছে মার্কিন চাপ। ফলে একপ্রকার বাধ্য হয়েই শান্তির বুলি আওড়াচ্ছে পাকিস্তান বলে মত ওয়াকিবহল মহলের। তবে শান্তির কথা বললেও, ভারতের বিরুদ্ধে আঙুল তুলেন পাক সেনাপ্রধান। তাঁর দাবি, শান্তি আলোচনায় সায় নেই নয়াদিল্লির। তবে সীমান্তে লাগাতার সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি তিনি।

পাক সেনাপ্রধানের বয়ানকে চাপের মুখে নতিস্বীকার বলেই মনে করছে প্রতিরক্ষা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। তবে তাঁদের একাংশ মনে করছেন, শান্তির কথা বললেও কাশ্মীরে ভারতের বিরুদ্ধে ছায়াযুদ্ধ চালিয়ে যাবে পাক সেনা ও আইএসআই। ফলে তৈরি থাকতে হবে ভারতকেও। উল্লেখ্য, সদ্য এক রিপোর্ট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে নয়াদিল্লির কাছেই গোপন সুড়ঙ্গ তৈরি করছে পাক সেনা। ওই সুড়ঙ্গে থাকবে পারমাণবিক মিসাইল ও বোমা। এই পদক্ষেপেই  নিজেদের অভিসন্ধি স্পষ্ট করে দিয়েছে সে দেশ।

[পাকিস্তানে গৃহবন্দি দশা কাটতে চলেছে হাফিজ সইদের!]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *