২ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২০ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২০ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

মণিদীপা মজুমদার: বর্ষার শুরু মানেই বাঙালির মন বঙ্গোপসাগর থেকে গঙ্গা হয়ে পদ্মায় পাড়ি দেয়। কারণ সেই জলপথেই যে রয়েছে মাছে-ভাতে বাঙালির রসনা তৃপ্তির হদিশ। গরম ভাতে ভাজা, সর্ষে বাটা দিয়ে ভাপা, কালোজিরে, বেগুন দিয়ে পাতলা ঝোল বা টক৷ যাই হোক না কেন ইলিশ বাঙালিয়ানার অবিচ্ছিন্ন অংশ। বৃষ্টিভেজা রাতে রুপোলি ইলিশের স্বপ্নে মগ্ন বাঙালি। তবে শুধুই স্বপ্নের আশ্রয় নিয়েই রাত্রিযাপন করতে হয় না। কারণ ইলিশের পুষ্টিগুণে মধুর হয় যৌন মিলনও।

[ আরও পড়ুন: সম্পর্কে জড়াতে নয়, ফ্রিতে খাবার খেতেই রেস্তরাঁয় ডেটিংয়ে যান অধিকাংশ তরুণী!]

শুধু ইলিশ নয়, যৌন জীবনে সামুদ্রিক মাছের ভূমিকা নিয়ে গবেষণা হয়েছে। যার প্রতিটিতেই উঠে এসেছে যে, নারী ও পুরুষের যৌন জীবন ও প্রজননে সহযোগীর ভূমিকায় রয়েছে সামুদ্রিক মাছের। সেই তালিকার প্রথম সারিতে রয়েছে ইলিশ। বোস্টনের হার্ভার্ড টি এইচ চান স্কুল অফ পাবলিক হেলথ—র গবেষক অড্রে গাসকিনস দাবি করেন, বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় ইলিশের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। দেখা গিয়েছে, প্রতি সপ্তাহে দু’দিনের বেশি সামুদ্রিক মাছ খান এমন দম্পতির যৌন মিলন অনেক বেশি উপভোগ্য হয়। শুধু মিলন সুখই নয়, পরিবার পরিকল্পনাকেও পরিপূর্ণ করতে সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে গবেষকদের দাবি, পুষ্টিগুণে সামুদ্রিক মাছের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে ইলিশ। মিচিগান ও টেক্সাসে প্রায় পাঁচশো দম্পতির উপর গবেষণা চালিয়েছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অফ হেলথ-এর গবেষকরা। দেখা গিয়েছে যাঁরা সপ্তাহে দু’দিনের বেশি ইলিশ মাছ খান তাঁদের কামাসক্তি অনেক বেশি। পাশাপাশি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁদের বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার সমাধান হয়ে গিয়েছে। এবং মহিলারা সন্তান ধারণে সক্ষম হয়েছেন।

[ আরও পড়ুন: কন্ডোম ছাড়াই সুরক্ষিত যৌনমিলন! জানেন কীভাবে? ]

রুপোলি ইলিশে উপস্থিত ঠিক কোন উপাদান যৌন মিলনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে তা নিশ্চিত করতে না পারলেও গবেষকরা জানিয়েছেন, ওমেগা-থ্রি ফাটি অ্যাসিডের অন্যতম উৎস এই সামুদ্রিক মাছ। এই গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাটি অ্যাসিড যেমন পুরুষের স্পার্ম কাউন্ট বাড়ায় তেমনই মহিলাদের ডিম্বাণুকে পুষ্ট করে ওভিউলেশনে সাহায্য করে। ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়া থেকে ভ্রূণের বিকাশে বিশেষ ভূমিকা পালন করে ‘হিলশা ইলশা’। এক বছর ধরে চলা সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত ইলিশ মাছ খাওয়ায় নারী পুরুষ নির্বিশেষে যৌনাঙ্গের স্বাস্থ্যের বিকাশ হয়। সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রতি যৌন আকর্ষণ বাড়ে ও সজ্জা সম্পর্ক হয়ে ওঠে আরও উষ্ণ। শুধু অল্পবয়সিদের জন্যই নয়, পঞ্চাশোর্ধ্বের যৌন মিলনকে উপভোগ্য করার পাশাপাশি নিরাপত্তা জোগায় ইলিশ। বিজ্ঞান বলছে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে ওমেগা—থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। ফলে ইলিশের জাদুতে যৌন মিলনের ধকলও সামলে নিতে পারে বৃদ্ধ হার্ট। তাই বৃষ্টি পড়ুক বা না পড়ুক রুপালি ইলিশের মরশুমে বাঙালির রাত হয়ে ওঠে সোনালি স্বপ্নময়।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং